শাহরাস্তি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলাম মোল্লা

শাহরাস্তি:  বাংলাদেশ তাঁতীলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সহ-সভাপতি তরুণ সমাজসেবী আলহাজ্ব সাইফুল ইসলাম মোল্লা আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে  নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত মোঃ সাইফুল ইসলাম মোল্লা শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের  ৫নং ওয়ার্ডের স্বেতী নারায়পুর গ্রামের মোল্লা বাড়ির আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান ও আলহাজ মোসাঃ ওমর জাহানের ৪র্থ  পুত্র। ৫ ভাই ২ বোনের মধ্যে তিনি ৬ষ্ঠ ।
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বলিয়ান সাইফুল ছোট বেলা থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন । তিনি নুনিয়া ফাজিল (ডিগ্রি)মাদ্রাসা, চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন, শাহরাস্তি উপজেলা  ও আবুজর গিফারী বিশ্ববিদ্যালয়ে
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছাত্রলীগের দায়িত্বে ছিলেন।
রাজনীতির বাইরেও তিনি বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষা, ধর্মীয় ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। নিজ এলাকার মোল্লা বাড়ির দজ্জা মসজিদের সহ-সভাপতি, ইমামে আজম কিন্ডারগার্টেনের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ঢাকা মহানগর ৬৬ নং ওয়ার্ড এর আওতাধীন  ডেমরা ডগাইর জামিয়া কাসিমিয়া মাদ্রাসার আজীবন সদস্য, মদিনাবাগ মসজিদ কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
পেশাগত ভাবে টি এম কর্পোরেশনের (প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান) স্বত্বাধিকারী, আহনাফ ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের এমডি, ফিট ফ্যাশন লিমিটেডের ডাইরেক্টর।
এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে সাইফুল ইসলাম মোল্লা জানান, ছাত্রজীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হয়েছি। তখন থেকে এই পর্যন্ত দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দলের সুখে, দুঃখে সব সময় ছিলাম, আছি ভবিষ্যতেও থাকবো। পাশাপাশি সমাজ সেবার সাথে জড়িত রয়েছি। বৃহৎভাবে সমাজকর্ম করতে যে কোন প্লাটফর্ম প্রয়োজন হয়। তাই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া ছাত্র রাজনীতি করার কারণে উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় আমার সুপরিচিত রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও আদর্শিক স্বজন রয়েছে। সকলের সাথে আমার যোগাযোগ হচ্ছে, ভালো সাড়াও পাচ্ছি।
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, কখনো কোন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্য সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অবঃ)রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে থাকি নি। তাঁকে নেতা ও অভিবাবক মেনেই প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন করেছি। বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম ও দলের জন্য আমার যে ত্যাগ রয়েছে সব কিছু বিবেচনা করে আমাকে দলীয় নেতাকর্মী এবং জনসাধারণ রায় দেবে বলে আমি আশাবাদী।
এমএমএ/