এমভি আল-ওয়ালিদ-২ লঞ্চের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

চাঁদপুর: চাঁদপুর নৌ বন্দর থেকে এমভি আল-ওয়ালিদ-২ লঞ্চটি অনিয়ম করে নিজের ইচ্ছেমতো চাঁদপুর-ঢাকা রুটে চলাচল করছে। জানা যায়, এমভি আল-ওয়ালিদ-২ লঞ্চটির নির্ধারিত সময়সূচি অমান্য করে দীর্ঘদিন যাবত লঞ্চটির নির্ধারিত ঘাট ইলিশা থেকে না ছেড়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যাত্রী নিয়ে চাঁদপুর ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু লঞ্চটির ঢাকা থেকে ছেড়ে চাঁদপুর ঘাট হয়ে ইলিশা লঞ্চ ঘাট এবং ইলিশা ঘাট থেকে ছেড়ে চাঁদপুর হয়ে ঢাকায় যাওয়া কথা। উক্ত রুটে সময়সূচি থাকা সত্ত্বেও লঞ্চটি পরিচালনা না করে শুধুমাত্র ঢাকা-চাঁদপুর নৌ-রুটে লঞ্চটি পরিচালনা করছে।

 মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে লঞ্চটি চাঁদপুর ঘাটে বিআইডব্লিউটি’র পরিবহন পরিদর্শক রেজাউল করিম সুমনকে ম্যানেজ করে চাঁদপুর ঘাটে অবস্থান করায়। এখান থেকে যাত্রী নিয়ে দুপুর ১২টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তখন অন্যান্য লঞ্চের মালিক পক্ষের প্রতিনিধি ও সুপার ভাইজারদের সাথে রেজাউল করিম সুমনের বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে একজন লঞ্চ মালিক পক্ষের লোক রেজাউল করিম সুমনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ বাঅনৌপক চাঁদপুর নদী বন্দরের বন্দর ও কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।

সময়সূচি অনিয়ম করে কোন লঞ্চ পরিচালনা করলে ওই লঞ্চটির বিরুদ্ধে মামলা করার কথা। কিন্তু রেজাউল করিম সুমন তা না করে উল্টো ঐ লঞ্চটিকে নিজে উপস্থিত থেকে ছাড়ার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। যা আইন বহির্ভুত। তার কারনে যে কোন সময় ঘাটে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটতে পারে।

লঞ্চটির সময়সূচির বিষয়ে গত শনিবার ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা লঞ্চ মালিক সমিতির কার্যালয়ে একটি সভা হয়েছিল। সেখানে চাঁদপুর ঘাট থেকে সরাসরি উক্ত লঞ্চটি চলাচল করতে পারবে না মর্মে সিদ্ধান্ত হয়। যেহেতু লঞ্চটির সময়সূচি ইলিশা থেকে চাঁদপুর হয়ে ঢাকা যাবে সেখান থেকেই পরিচালনা করতে হবে।

চাঁদপুর থেকে লঞ্চ পরিচালনা করতে পারবে না মর্মে সর্ব সম্মতিভাবে গৃহিত হয়। উক্ত বিষয়ে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সরজমিনে এসে এমভি আল-ওয়ালিদ-২ লঞ্চটি পরিদর্শন করে লঞ্চটির কাগজপত্র দেখে সংশ্লিষ্ট ঘাট থেকে সময়সূচি মেনে চলাচল যাতে করে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবেন।

এমএমএ/